May 25, 2024, 10:43 am
শিরোনাম
তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ফকির জহুর আলকাদরী দরবারে শরীফে আন্তর্জাতিক সামা সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ##ঝিনাইদহে গৃহবধুকে গলা কেটে হত্যা , আহত ১, আটক ২## ছাতকের প্রধান শিক্ষক বশির উদ্দিনের পরিত্যাক্ত ভবণ নিলাম করে অর্থ আত্মসাতসহ,একই ব্যাক্তি দুই নামে দুই পিতা সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজির সুনামগঞ্জ সদর সার্কেল ও পুলিশ অফিসের হিসাব শাখা পরিদর্শন দৌলতপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি’র উপর হামলার প্রধান আসামী আটক  দেশে ফিরতেই হচ্ছে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদন বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের সুনামগঞ্জে নব নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন সহকারী শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল হুদা চপলের মোটর সাইকেলের সমর্থনে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে নির্বাচনী সভা ###ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনে সংসদ সদস্য ###

##ইতিহাসের নির্মম সাক্ষী খালিশপুরের নীলকুঠি##

(স্টাফ রিপোর্টার: হাদিসুর রহমান) জীবননগর চুয়াডাঙ্গা

ব্রিটিশ রাজত্বকালে ইংরেজরা এদেশে নীল চাষ করার জন্য যেসব কুঠি গড়ে তুলেছিলেন সেসব কুঠিবাড়িই নীলকুঠি নামে পরিচিত। নীলকুঠির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ। এ নদ দিয়েই নৌকায় করে আসতো ইংরেজরা। তারা ওই কুঠিতে থাকতো আর কৃষকদের ওপর অত্যাচার করতো। আঠারো শতকের শুরুর দিকে কোটচাঁদপুর দুতিয়ারকুঠি কুঠির মালিক ব্রিজবেন মহেমপুরের খালিশপুরে কপোতাক্ষ নদের তীরে এ কুঠিটি স্থাপন করেন।

১২ কক্ষবিশিষ্ট দ্বিতল ভবন এটি। নিচ তলা থেকে দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলো আয়তনে বড়।চুন, সুরকি ও পাকা ইট দিয়ে তৈরি এ ভবনটি।কুঠির নিচ তলায় ছিল নীল চাষের খাজনা আদায় ও নির্যাতন কক্ষ। দ্বিতীয় তলায় আদায়কারীরা রাতযাপন করতেন।বিশ্রাম ও গোসল করার জন্য নির্মিত পাকা সিঁড়ি কপোতাক্ষের তীর পর্যন্ত নামানো। এখানে ১৮১০- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত নীলকররা নীল চাষ পরিচালনা করত।এলাকার কৃষকের মাধ্যমে নীল চাষ করে পাঠানো হতো ।

ইংল্যান্ডসহ পৃথিবীরবিভিন্ন দেশে। দিনের পর দিন অত্যাচারে মাত্রা বাড়াতে থাকে ইংরেজ নীলকরদের।যারা নীলচাষ করতেন না তাদের এ কুঠিতে এনে করা হতো নির্যাতন।কুঠির সামনে থাকা গাছে বেঁধে চলত অমানুষিক নির্যাতন।গ্রাম থেকে নারীদের ধরে এনে রাখা হতো কুঠির কক্ষগুলোয়।উপমহাদেশে নীল বিদ্রোহের সূচনা হওয়ার পর অন্যান্য নীলকুঠির মতো এ নীলকুঠিটিও রেখে চলে যান নীলকররা। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জমিদাররা এটি তাদের কাছারি হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ১৪ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এটি একটি দ্বিতল ভবন। ১৮১০-১৮৫৮ সাল পযর্ন্ত এটি ছিল কৃষক নির্যাতন কেন্দ্র। ১৮৬৫ সালে নীল বিদ্রোহ সংগঠিত হলে অন্যান্য নীলকুঠির মত এ নীলকুঠিটিও ইংরেজরা রেখে চলে যান।

পরবর্তীতে জমিদাররা এটি তাদের কাছারি হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় তৎকালীন নীলকুঠির মালিক জমিদার জায়গাটি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে এটি মূলত পরিত্যক্ত হিসাবে পড়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page