June 24, 2024, 12:12 pm
শিরোনাম
জগন্নাথপুরে সুইচগেট সহ নদী, নালা, খাল, বিলের পানি দ্রুত নিস্কাসনের দাবীতে মানববন্ধন তাহিরপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে এক ইলেকট্রিসিয়ানের মৃত্যু তাহিরপুর টাঙ্গুয়া হাওরে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার উল্লাপাড়ায় মাইক্রোবাস-অটোভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোভ্যান চালক নিহত। তাহিরপুরে আওয়ামী লীগের  ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন আগামী দুইদিনে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে কাবা শরীফের চাবি রক্ষক সালেহ আল-শায়বার মৃত্যু! বাঁশখালীর নাটকীয় সংবাদ সম্মেলনকে বয়কটের ডাক সুনামগঞ্জে মানবিক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ রাজশাহী বাঘায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক।

খুলনার বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শেখ আব্দুস সালাম এর মৃত্যুতে খুলনা আর্ট একাডেমি গভীরভাবে শোকাহত

স্টাফ রিপোর্টার

আমরা গভীর শোকাহত হয়ে জানাচ্ছি যে,খুলনা বেতারের তথা বাংলাদেশের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী, গীতিকার,সুরকার শেখ আব্দুস সালাম আজ ২০/৫/২০২৪ তারিখ রাত আটটায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পূর্ব বানিয়াখামার, আরাফাত মসজিদ মোড়ে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৭৩ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,এক পুত্র ,এক কন্যা, পোতাপৌত্র , নাতি-নাতনী সহ অসংখ্য ভক্ত, গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর জন্ম খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার নাকলা গ্রামে। তার পিতার নাম মরহুম শেখ আব্দুল মালেক।
শেখ আব্দুস সালামের সংগীত জীবনের হাতে খড়ি তার মামা শেখ বাসারত আলী সাহেবের কাছে। তাঁর আরো সংগীত শিক্ষা গুরু ছিলেন সাধন সরকার ,শ্রী কালীপদ বাবু ,বাবু বিনয় কুমার রায়, ওস্তাদ মালেক চিশতী, সুখলাল ঠাকুর সহ বেশ কয়েকজন বিখ্যাত ওস্তাদ। পরবর্তীতে তিনি নিজেও সংগীতের ওস্তাদ হিসেবে অনেককে সংগীতের তালিম দেন।১৯৭০ সাল থেকে তিনি খুলনা বেতারের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে কাজ করে আসছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, রেডিও বাংলাদেশ কমার্শিয়াল সার্ভিস, ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস, দেশের বিভিন্ন উন্মুক্ত আসরে তিনি বহু সংগীত পরিবেশন করে ভূয়সি প্রশংসা ও শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেন। সঙ্গীতজ্ঞ শেখ আব্দুস সালাম খুলনার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন সুজলা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সুযোগ্য সভাপতি ছিলেন। তিনি খুলনা শিল্পকলা একাডেমির সদস্যও ছিলেন। সঙ্গীতজ্ঞ হিসাবে তিনি বহু পুরস্কারে ভূষিত হন তার মধ্যে ১৯৬৮ সালে খুলনা সরকারি বিএল কলেজ থেকে সংগীতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ওই বছর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আর্ট কাউন্সিল সংগীত প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯৭৬ সালে খুলনা প্রদর্শনীতে তৎকালীন জেলা প্রশাসন শিল্পী শেখ আব্দুস সালামের নামে “সালাম রজনী” অনুষ্ঠিত হয় এবং তাকে ঐ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বর্ণপদ দেয়া হয়। ২০০৫ সালের আলীজ একাডেমীর পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়াও তিনি খুলনার বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সংযুক্ত ছিলেন।
তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস সহ তার সদস্য বর্গ। এছাড়াও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গবেষণা পরিষদের সভাপতি সৈয়দ আলী হাকিম সহ সকল সদস্য বর্গ, খুলনা সাহিত্য মজলিস,খুলনা সাহিত্য পরিষদ, গাঙচিল, আলীজ একাডেমী,খুলনা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংস্থা খুসাস সহ বিভিন্ন সংগঠন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page