June 24, 2024, 1:25 pm
শিরোনাম
জগন্নাথপুরে সুইচগেট সহ নদী, নালা, খাল, বিলের পানি দ্রুত নিস্কাসনের দাবীতে মানববন্ধন তাহিরপুরে বিদ্যুৎ স্পর্শে এক ইলেকট্রিসিয়ানের মৃত্যু তাহিরপুর টাঙ্গুয়া হাওরে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার উল্লাপাড়ায় মাইক্রোবাস-অটোভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোভ্যান চালক নিহত। তাহিরপুরে আওয়ামী লীগের  ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন আগামী দুইদিনে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে কাবা শরীফের চাবি রক্ষক সালেহ আল-শায়বার মৃত্যু! বাঁশখালীর নাটকীয় সংবাদ সম্মেলনকে বয়কটের ডাক সুনামগঞ্জে মানবিক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ রাজশাহী বাঘায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক।

ঘুষ না দেয়ায় মনগড়া প্রতিবেদন: পুন তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার::

মামলার এডভোকেট কমিশনার ঘুষ না পেয়ে ভূমি কেন্দ্রীক আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল করায় পুনতদন্ত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। শুক্রবার ৭ জুন সুনামগঞ্জের মল্লিকপুরে হাওর মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। লিখিত বক্তব্যে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের সানজব আলী এই অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আদালতে তিনি ২০২৩ সনে অগ্রক্রয় মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত এডভোকেট আফিজ মিয়াকে কমিশনার নিয়োগ করেন। আদালত তাকে সরেজমিন সত্য প্রতিবেদন জমাদানের দায়িত্ব দেয়। তিনি গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্বত্ত মোকদ্দমা নং ৬০/২০২৩ মামলার নালিশা ভূমি প্রত্যক্ষ করতে সরেজমিন যান। গিয়ে বাদীর পক্ষে বাস্তব চিত্র প্রত্যক্ষ করেন। কিন্তু আদালতে তিনি তার পক্ষে প্রতিবেদন দিতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। কিন্তু বাদী সাঞ্জব আলী বাস্তবতা তার পক্ষে থাকার পরও প্রতিবেদনের জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে ঘুষ দাবির কথোপকতনের অডিও রেকর্ড তিনি মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন বলে জানান।
সানজব আলী আরো জানান, ঘুষ না পেয়ে এডভোকেট কমিশনার গত ৫ মে আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল করেন। যা সম্পূর্ণ অসত্য ও নালিশা ভূমির বাস্তবতা পরিপন্থী।
সংবাদ সম্মেলনে সানজব আলী আরো বলেন, মামলা দায়েরের পর শুনানিতে বিবাদী পক্ষের ফরশাদ মিয়া আদালতে জবানবন্দী দেন নালিশা ভূমিতে দুই লক্ষ টাকার মাটি ভরাট সহ ২০/২৫ টি বিভিন্ন জাতের গাছ রোপন করেছেন। আদালত তার জবানবন্দির আলোকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কমিশনার হিসেবে এডভোকেট আফিজ মিয়া’কে নিয়োগ করা হয়। আফিজ মিয়া সরেজমিনে গিয়ে তদন্তে গাছ এবং ভাটি ভরাট করা হয়নি এমন সত্যতা পান।
তারপর তিনি মুঠোফোনে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন তার পক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য। ঘুষ না পেয়েই অসত্য প্রতিবেদন দাখিল করায় পুনর্বার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান সানজব আলী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page