July 19, 2024, 9:35 am
শিরোনাম
“ছত্র” বাঘায় একটি বিদেশি পিস্তলসহ ২ জন কুখ্যাত অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব ভূমি সেবায় বিশেষ অবদানে কবি কাজী নজরুল ইসলাম গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পেল মো: এরফান উদ্দীন জা‌মিয়া দারুল কুরআন, সি‌লেটের গিনেস রেকর্ডের অধিকারী অ‌লি খানকে বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ তাড়াশে কাপড়ে মোড়ানো এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার প্রবাসীরা আমাদের শক্তি, তারাই দেশের অর্থনীতির অন্যতম চাবিকাঠি-মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী মাননীয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে এনআরবি ওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিসিএ ফাউন্ডেশন ইউকে উদ্যোগে সিলেট বিভাগে বন্যাকবলিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ তরুণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা এবং সহযোগিতার এক অনন্য সভা অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনে রথযাত্রা উদযাপন

যত বাধাই আসুক, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে আত্মমর্যাদার ক্ষেত্রে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যত বাধাই আসুক, অপ্রতিরোধ্য গতিতে আমাদের লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে সারা বিশ্বে গর্বের সাথে এগিয়ে যাব।

 

শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু দিয়ে সড়কপথে যোগাযোগের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। এর পর ২০২৩ সালে সালে চালু করা হয় রেলপথ।

 

 

বিশ্ব ব্যাংকসহ চারটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ঋণে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু, দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগে প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সংস্থাগুলো। পরে আন্তর্জাতিক আদালতে প্রমাণ হয় যে, এই প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি। এরপর বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে ফিরে আসার আগ্রহ দেখালেও বঙ্গবন্ধুকন্যা সিদ্ধান্ত নেন নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করবেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৪ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টোলের মাধমে যে আয় হয়েছে, সেটা টাকার অঙ্কে বিচার করব না। কারণ, এই সেতু আমাদের গর্বের সেতু, টাকার অঙ্ক দিয়ে বিচার করার নয়। এই একটা সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে অন্তত সেই মর্যাদা দিয়েছে যে, আগে যারা কথায় কথায় আমাদের ওপর খবরদারি করত আর ভাব ছিল যে, এরা ছাড়া বাংলাদেশ চলতেই পারবে না; সেই মানসিকতাটা বদলে গেছে।’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন বাংলাদেশ শুনলে আন্তর্জাতিকভাবে সবাই সমীহ করে। বাংলাদেশের জনগণ একটা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়নি। আমরা এখন আর্থ-সামজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’

 

তিনি বলেন, এই সেতু নির্মাণের পরে বাংলাদেশের মানুষ এখন গর্ব করে আন্তর্জাতিকভাবে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে। যত বাধাই আসুক, অপ্রতিরোধ্য গতিতে আমাদের লাল-সবুজের এই পতাকা নিয়ে সারা বিশ্বে গর্বের সাথে এগিয়ে যাব।

 

পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক বাধা-বিপত্তি আর ঝড়-ঝঞ্ঝা অতিক্রম করতে হয়েছে, উল্লেখ করে এ সেতুর স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে কৃতজ্ঞ, জনগণের সমর্থন ছিল, আামি এটা করতে পেরেছি। এই সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন হয়েছে।

 

তিনি বলেন, এই সেতু একটা জটিল স্ট্রাকচার। বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা নদীর একটি হচ্ছে এই পদ্মা নদী। সেই নদীর দুই কূল বেঁধে দেওয়া কঠিন কাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page