June 17, 2024, 10:49 pm
শিরোনাম
##ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গা জেলা টাস্কফোর্সের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত## দেশের চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান সাংবাদিক আমির হোসেনের পক্ষ থেকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেখ মোঃ নজরুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ওসি শ্যামল বনিক জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলনের আহবায়ক হলেন আব্দুস সোবহান লিটন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ঢাকা মহানগর কমিমির সভাপতি /সম্পাদক। পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন সাংবাদিক মোঃ লুৎফর রহমান লিটন #চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আন্তজেলা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোরচক্রের মূলহোতাসহ ০৭জন গ্রেফতার।। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার### সলঙ্গায় অজ্ঞাত ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরহী এক যুবক নিহত

##ইতিহাসের নির্মম সাক্ষী খালিশপুরের নীলকুঠি##

(স্টাফ রিপোর্টার: হাদিসুর রহমান) জীবননগর চুয়াডাঙ্গা

ব্রিটিশ রাজত্বকালে ইংরেজরা এদেশে নীল চাষ করার জন্য যেসব কুঠি গড়ে তুলেছিলেন সেসব কুঠিবাড়িই নীলকুঠি নামে পরিচিত। নীলকুঠির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ। এ নদ দিয়েই নৌকায় করে আসতো ইংরেজরা। তারা ওই কুঠিতে থাকতো আর কৃষকদের ওপর অত্যাচার করতো। আঠারো শতকের শুরুর দিকে কোটচাঁদপুর দুতিয়ারকুঠি কুঠির মালিক ব্রিজবেন মহেমপুরের খালিশপুরে কপোতাক্ষ নদের তীরে এ কুঠিটি স্থাপন করেন।

১২ কক্ষবিশিষ্ট দ্বিতল ভবন এটি। নিচ তলা থেকে দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলো আয়তনে বড়।চুন, সুরকি ও পাকা ইট দিয়ে তৈরি এ ভবনটি।কুঠির নিচ তলায় ছিল নীল চাষের খাজনা আদায় ও নির্যাতন কক্ষ। দ্বিতীয় তলায় আদায়কারীরা রাতযাপন করতেন।বিশ্রাম ও গোসল করার জন্য নির্মিত পাকা সিঁড়ি কপোতাক্ষের তীর পর্যন্ত নামানো। এখানে ১৮১০- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত নীলকররা নীল চাষ পরিচালনা করত।এলাকার কৃষকের মাধ্যমে নীল চাষ করে পাঠানো হতো ।

ইংল্যান্ডসহ পৃথিবীরবিভিন্ন দেশে। দিনের পর দিন অত্যাচারে মাত্রা বাড়াতে থাকে ইংরেজ নীলকরদের।যারা নীলচাষ করতেন না তাদের এ কুঠিতে এনে করা হতো নির্যাতন।কুঠির সামনে থাকা গাছে বেঁধে চলত অমানুষিক নির্যাতন।গ্রাম থেকে নারীদের ধরে এনে রাখা হতো কুঠির কক্ষগুলোয়।উপমহাদেশে নীল বিদ্রোহের সূচনা হওয়ার পর অন্যান্য নীলকুঠির মতো এ নীলকুঠিটিও রেখে চলে যান নীলকররা। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জমিদাররা এটি তাদের কাছারি হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ১৪ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এটি একটি দ্বিতল ভবন। ১৮১০-১৮৫৮ সাল পযর্ন্ত এটি ছিল কৃষক নির্যাতন কেন্দ্র। ১৮৬৫ সালে নীল বিদ্রোহ সংগঠিত হলে অন্যান্য নীলকুঠির মত এ নীলকুঠিটিও ইংরেজরা রেখে চলে যান।

পরবর্তীতে জমিদাররা এটি তাদের কাছারি হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় তৎকালীন নীলকুঠির মালিক জমিদার জায়গাটি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে এটি মূলত পরিত্যক্ত হিসাবে পড়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page