June 17, 2024, 11:43 pm
শিরোনাম
##ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গা জেলা টাস্কফোর্সের বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত## দেশের চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান সাংবাদিক আমির হোসেনের পক্ষ থেকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেখ মোঃ নজরুল ইসলাম পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ওসি শ্যামল বনিক জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলনের আহবায়ক হলেন আব্দুস সোবহান লিটন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ঢাকা মহানগর কমিমির সভাপতি /সম্পাদক। পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা সবাই কে জানিয়েছেন সাংবাদিক মোঃ লুৎফর রহমান লিটন #চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আন্তজেলা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোরচক্রের মূলহোতাসহ ০৭জন গ্রেফতার।। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার### সলঙ্গায় অজ্ঞাত ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরহী এক যুবক নিহত

দেশে ফিরতেই হচ্ছে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদন বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের

নিউজ ডেস্কঃ

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চাওয়াদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশিরা

আশ্রয় আবেদন বাতিল হওয়া বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে হওয়া ফাস্ট-ট্র্যাক রিটার্ন ডিল বা দ্রুত প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় এসব বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাবে ব্রিটিশ সরকার।

সম্প্রতি দেশ দুটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে এই চুক্তি সই হয়।

এর ফলে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন খারিজ হওয়া, অপরাধী এবং ভিসার মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সহজ হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশ তাদের অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়ে সহযোগিতা ক্ষেত্র তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যুক্তরাজ্যের ভিসার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাম বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাই দুই দেশের দ্রুত প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় তাদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য।

তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে এ বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত এক বছরে ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছে। যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছে তাদের মাত্র ৫% আবেদন সফল হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী, কর্মী বা ভিজিটর ভিসা নিয়ে এসব বাংলাদেশিরা এসেছে। ব্রিটেনে স্থায়ী হতে তারা “পেছনের দরজা” ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

এদিকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের যুক্তরাজ্য সরকারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক মন্ত্রী অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ানের মধ্যে সাম্প্রতিক এক বৈঠকের ভিত্তিতে ওয়ার্কিং গ্রুপটি তৈরি হয়েছে। ওই সময় বাংলাদেশর প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, অনিয়মিত অভিবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের “জিরো টলারেন্স” বা “শূন্য সহনশীলতা” নীতি রয়েছে। ওই সময় ফাস্ট-ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তিতেও সম্মতি দেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের অনিয়মিত অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল টমলিনসন বলেন, “অনিয়মিতভাবে আসা বা থাকা বন্ধ করার জন্য ডিপোর্ট বা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে গতিশীল করা আমাদের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং এটি একটি দারুণ বিষয় যে আমরা তাদের সঙ্গে প্রত্যাবাসনকে গতিশীল করাসহ আরো বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সম্পর্ক জোরদার করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে প্রমাণ পেয়েছি, এ ধরনের চুক্তিগুলো অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। বৈশ্বিক সমস্যা নিরসনে বৈশ্বিক সমাধান প্রয়োজন এবং সবার জন্য একটি ন্যায্য ব্যবস্থা তৈরি করতে বাংলাদেশ ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমরা প্রস্তুত।”

সাধারণত ভিসার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যুক্তরাজ্যে থাকার অনুমতি পাওয়া যায়। সেটা কয়েক মাস পর্যন্তও হতে পারে। কিন্তু যারা আশ্রয় আবেদন করেন তারা দীর্ঘদিন বা অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে থাকার সুযোগ পান। কারণ, মানবাধিকার আইন কিংবা আদালতের কারণে তাদের ডিপোর্ট করার ক্ষেত্রে বেগ পেতে হয় হোম অফিস বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভিসা নিয়ে যুক্তরাজ্যে এসে আশ্রয় চাওয়া মানুষের মধ্যে সবার শীর্ষে রয়েছেন পাকিস্তানের নাগরিকেরা। এক বছরে দেশটির ১৭,৪০০ নাগরিক ভিসা নিয়ে এসে আশ্রয় আবেদন করেছেন যুক্তরাজ্যে৷ এরপরেই আছে বাংলাদেশের নাম। ৭,৪০০টি আবেদন নিয়ে তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে ভারত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page